Status

My short stories of 2016

Flashback of heady seventies! I have made an honest attempt to write a series of short stories reflecting back the life in a small town 40 years ago. Some of my stories revolved around presence of mystical trees like Bamboo, Wood Apple. And in association of Ghosts or ‘Atma’ of different times morning, noon and night, they indeed created a heady cocktail!

A plump old Woman and her intriguing attachment with a tree (Drumstick tree and an old Woman’s Voice ) left me wondering few unexplained facts of life. And not to forget all these magical moments which defined our existence and enriched us during our growing up years.

Durga Puja ( Durga in my house ) was less about enjoying and more about observing rituals like half day of fasting, listening with devotions our priest chanting Mantras, taking pride in bell ringing during evening ‘Aarti’ before others could grab & the list is unending. On the contrary Krishna RasYatra (srikrsna’s rasayatra and a fairytale) was celebrated with pomp and gaiety. ‘Pandal’ (Bamboo made structure) adorned with paper cuttings and shola make birds hanging in the center all round brought festivities in our drooling eyes.

Everything was there in moderation; there was entertainment, punishment and of course mystery. The mystical environment always mesmerized and embraced us. The pleasant smell of heavenly golden color flower on Top of the terrace of our Deity room, The murmur of a mango tree on a typical Windy Umbrella Summer Afternoon, The Light of The Glow-worm during twinkling, Pitch Dark Nights out in the open all were ingredients of a forgotten era.

And when life became all too predictable around their presence, there was those beautiful black eyes to fall upon. It reminded of a quotation in an Art gallery Famous ‘Blessed are they who see Beautiful Things in humble Places’ . I ought to say that I made peace with those radiant black henna applied eyes manifested as bird’s nest in a ‘Jibananda classic’.

Advertisements
Audio

শ্রীকৃষ্নের রাসযাত্রা ও একটি রুপকথা

শ্রীকৃষ্নের রাসযাত্রা আমাদের বাড়ির এক বিরাট আকর্ষন ছিল। দুর্গাপুজায় যেমন আচার বিচার্, রীতি নীতি উপবাস করতে দিন কেটে যেত রাসযাত্রা ছিল তার বিপরিত। সকাল থেকে ঠাকুরের মন্দির সাজানো, প্যান্ডাল সাজানো শোলার হরেক রকমের পাখি আর কাগজের তৈরি চেন দিয়ে। রেলওয়ে স্টেশনে একটি প্রস্তর ফলকে “শ্রীশ্রী নন্দনন্দন জিউর এর রাসযাত্রা উপলখ্খ্যে এইখানে নামুন” লেখাটি আমাদের গর্বের বস্তু ছিল। আমাদের মাঠে যাত্রাপালা আর পাশের মিত্তিরদের মাঠে পুতুলনাচ আর খাবার দাবার জিনিষ। সে এক দিন ছিল; জিলিপি ভাজা সুরু হলেই কে প্রথম জিলিপি আনতে পারবে সেই নিয়ে কাকাদের সাথে অঘোষিত প্রতিযোগিতা। আর পুতুল নাচের রহস্য সন্ধান করতে বেশ কয়েকটা বসন্ত পার হয়ে গেছে।

এবার আসা যাক আকর্ষনের কেন্দ্রবিন্দু সন্ধাবেলার প্রোগ্রাম এ। রাসপুজো শেষ হলে ঠাকুরনাচের তালে তালে অামাদের চৈতন্য মহাপ্রভু স্টাইল এ নাচ চলত একবার শ্যাম আর একবার রাধা কে কেন্দ্র করে। কখনো “শ্যাম নব বিশরো বামে” আবার কখনো বা “রাধে রাধে রাধে রাধে, শ্রীরাধে জয় রাধে রাধে”। কথায় আছে না ছোটো বেলার শেখা কখনো বৃথা যায় না তাই এখনও সেই গৌড়ীয় নৃত্য সুযোগ পাওয়া মাত্রই প্রকাশ্যে চলে আসে।

আসল উত্তেজনা ঘিরে থাকত যাত্রা কে ঘিরে। রাতের খাওয়া শেষ করে সকলে বসার জায়্গা চেয়ার, বেনচি দখল করলেও আমার বিন্দুমাত্র উৎসাহ ছিল না তাতে।মাঠের মাঝে স্টেজের সামনে শতরন্চিতে বসে যুদ্ধ দেখতে য়েমন গায়ে কাঁটা দিত তেমন ভালোও লাগত। অধীর অাগ্রহে তাকিয়ে থাকতাম কখন বাবার পার্ট আসবে। যদিওবা সময় দিতে পারতেন না বলে পার্ট টা থাকত কাটা সৈনিক এর তবুও স্টেজে এসে তলোয়ার চালাচ্ছে দেখে বাসনা হত অামিও বড়ো হয়ে এমন তলোয়ার বাজি করব।যুদ্ধ শেষে বাবা যখন কাটাকুটিতে পরেছেন কাটা ভাবতাম বাবাটা যেন কি। জমিদার বাড়ির হয়ে শেষকালে এক সামান্য সৈনিকের হাতে প্রান দিতে হল তাও বাড়িসুদ্ধু লোকের সামনে! এক আধবার মনে হয়েছে বাবার তলোয়ার সৈনিকটার পেটে ঢুকিয়ে দিলে মন্দ হয় না।

এইভাবে বেড়ে চলেছি আমাদের সেই ঐতিহ্যকে বহন করে। সেই রাসের মাঠে যাত্রা, সেই স্টেজের সামনে বসা। যুদ্ধ দেখা যখন গা সওয়া হয়ে গেছে কিশোর চোখ আনমনে খুঁজতে থাকে অন্য জগত। উলটোদিকের একজোড়া চোখ তার মতন কি একই জিনিষ খুঁজে ফিরছিলো। আমি কি পেলাম, সেই বা কি পেলো খুঁজে। সাহস হয়নি জানার। কি দরকার জানার, তার চেয়ে এই তো বেশ আছি।স্মৃতি আছে, গল্প আছে, আমি আছি। ও আছে একটি রুপকথা।

 

Continue reading

আমার বাড়ির দুর্গাপুজা

Aitihyapurna our separate information-year-old house Puja are hiding something behind. At the time, the richest aristocratic family in Calcutta Durga Puja, which was introduced for the petty gramabanlara people suffer. It is an effort to bring smile on the face of the people in our house puja gramabanlara Some pieces begin with the events of this story.

It would Be The Beginning of Our great thakurdalanera mahalaya Puzo Puzo The Paddock AT The end of The Night by a handful khaoyaamara The end of day , with turnover telebhaja When daduta feast seemed Had ODD, some people do eat Not to Live. When they make a mistake, however, to see after the break at the age of ninety, he kind of chilen active.

I remember back in time, nine mantraccaranera gamanayaca purutamasayera at the end of the tears coming down over the eyes and the voice of water. This is what will be the end of the puja rudhile jalataranaga not worried that we would. And the thought of an elderly man in front of a shame in a way that does not dispose of tears. Later, I learned to be worshiped in vain without fear.

I remember the day ten nights Anjali Thakur was early in the morning and around noon on pradakhkhina the Puja Mandap preparing to bar from the image. What happens when our hearts are weighed down with sadness adults joy to see. Tagore made out of bamboo deck that will rotate the whole city! Even though the works were pratimabahakara Tagore was sometimes fitted with shoulder, and soften what is called Durga Mai, found joy in the midst of all this coming year will be less. CONSULTATIONS CONSULTATIONS CONSULTATIONS CONSULTATIONS home sweet taste at the end of immersing the idols of the Lord came to purutamasaera that adults will go home. Finally, the width of the sweet and perfect in all respects, the special items for adults. Why do we go to chotarai or excluded from the Mahaprasad. So even the strongest of our fate a little bit. Petabhara sweep of the Gods that bamsagachta mysterious woman in front of the house began to dangle like. Is that still a bamsagach, not some imaginary woman is my first love in the flesh.

আমার বাবার গল্প- ধর টিকি মার বেল

আমাদের বাড়ির অধিষ্ঠাত্রি দেবতা শ্রী শ্রী নন্দনন্দন জিউর। ঠাকুরঘরের দুই দিকে দুটো বিশাল বড় বড় মহিরুহ ছাতার মতন ঘিরে রেখেছে যার একটি বেলগাছ আর একটি সোনা রঙের চাঁপা গাছ। সেই বেলগাছ নিয়ে আমার আজকের গল্…

 

সজনে গাছ ও এক বুড়ির কথা

গল্পের গরু গাছে ওঠে এটাই আমরা জানি কিন্তু সত্যি ঘটনার কাহিনি যে আমাকে গাছের মগডালে তুলে মই কেড়ে নেবে এটা অপ্রত্যাশিত ছিল। তবে মন্দ লাগে না নিচের দুঃখ নিচে ফেলে এসে কিছুটা সময় কাঠবিড়ালি, কাঠপিপড়ে, চড়ুই, চন্দনা, ময়নাদের রাজত্বে ঢুকে যেতে।
গাছটি যদিও ছিল অামাদের বাড়ির গন্ডির বাইরে কিন্তু তার আসল শাখাটি বিস্তার করেছে অামাদের বাড়ির চৌহদ্দির মধ্ধ্যে। আমাদের বাড়ির পিছনদিকে বসন্ত থেকে সারা গরমকাল হলুদ হয়ে থাকত তার ফুলে। আর বাবা যেদিন তাড়াতাড়ি কাজে বেরিয়ে যেতেন কলকাতায়, ওই ফুলের চচ্চরি মা চার ছেলেমেয়েদের জন্যে বানিয়ে রাখতেন ভাতের সাথে খাবার জন্যে। তার পরে আসত ডাঁটার সময়। তখন দুবেলা ডাঁটা চিবোতে চিবোতে প্রানান্তোকর অবস্থা আর কি!
এবার ঘটনায় আসা যাক। আগেই বলেছি গাছ্টা অামাদের ফল ফুল জোগালেও ওটার আসল মালিক ছিল পাশের বাড়ির মানে এক বুড়ির। এক টালির চালের ঘরের মধ্ধ্যে ছিল তার জীবন বাঁধা। বুড়ির চুল থেকে নেমে আসা ঝুড়ি, দাওয়ায় খেতে খেতে মুড়ি যখন প্রবচন শুরু করত বুড়ি, আমরা তখন কি আর করি দরজায় খিল লাগিয়ে রাম নাম স্মরি। তা একদিন মা বলেছে দু চারটে ডাঁটা ছাত থেকে পেড়ে আনতে। হয়েছে কি ভোরবেলা ছাতে আঁকশি দিয়ে ডাঁটা যেই না টানা ওমনি ছোটো একটা শাখা মর্মরিয়ে পরলো বুড়ির টালির চালে। ব্যাস বুড়িকে আর পায় কে, কে আমার গাছে উঠেছে, এই হারামজাদারা আমি এখনও বেঁচে আছি। সাহস থাকলে সামনে আয়, দেখি কার ঘাড়ে কটা মাথা। পাড়ার লোকেদেরই সাহস হত না বুড়ির সামনে যাবার আর আমরা তো তখন অনেক ছোট, ভয়েতে সেঁধিয়ে যেতাম। বুড়ির অাত্মার সাথে মনে হত অঙগাগিভাবে জড়িত ওই সজনে গাছ।
কিছুদিন বাদে বুড়ির মারা যাবার খবর কানে এল। আর সজনে গাছটাকেও কেমন যেন জৌলুসহীন মনে হল। যেন দুই হরিহর আত্মা একে অপরের বিরহে শোক প্রকাশ করছে। কাজের তাগিদে দেশ বিদেশ ঘুরে অনেক দিন বাদে এসে দেখি গাছটা আর নেই।মনে মনে ভাবলাম গাছেরও কি মানুষের মতন অবলম্বন দরকার হয় বয়সকালে। হয়ত আমার মতন আরো অনেকেই এমন ঘটনা প্রত্যখ্খ করেছেন, শেয়ার করতে দোষ কি।

আমাদের দুপুরবেলা-ফলসাগাছের সাথে

আমার অাগের দুটো গল্পের মুল চরিত্র ছিল দুটি গাছ বাঁশ ও বেল। এবারেও তার অন্যথা হবে না, গাছ অকৃপন হস্তে তার সুমিষ্ট ফল উজাড় করে দিত সে আম, জাম, জামরুল, কাঁঠাল, সবেদা, দালিম অার কত কি। আর স্বর্নচাঁপা, গন্ধরাজ, বেল ফুল এর গন্ধে মাতোয়ারা করে রাখতো বাড়ির প্রাঙগন। মা বলতেন দরজা বন্ধ করে রাখ না হলে বেলফুলের উগ্র গন্ধে সাপ আসতে পারে।স্বর্নচাঁপা ফুল তোলার অধিকার ছিল কেবল পুরুত মশাইএর কারন এটা ছিল এক্কেবারে মন্দিরের ছাতে আর সেখানে আমাদের প্রবেশ নিষেধ। ভোরবেলা পুজোর আগে যখন উনি ফুল তুলতেন একটা সুমিষ্ট গন্ধে চতুর্দিক স্বর্গীয় পরিবেশ সৃষ্টি হত।এছাড়াও গাছ তার রহস্যময়তা আর অাচ্ছাদন দিয়ে অামাদের ঘিরে রাখত। মনে পড়ে ঢিল মেরে অনেক চেষটা করে যদি একটা আম বা জামরুল মাটিতে পড়ত খুশির ঠিকানা থাকত না। সে খুশির কাছে পরিখ্খায় প্রথম হওয়া কিছুই নয়।

এবারে আমাদের গল্পে ফেরা যাক। গ্রীষ্মাবকাস চলছে, লম্বা দুপুরবেলা। সকাল কেটে যেত আডডা মেরে, সাঁতার কেটে কিন্তু দুপুরবেলা। আমাদের ছিল এক ডানপিটে পিসি যদিও বয়সে অামাদের প্রায় সমান। দুপুর হলেই তারসাথে আমরা একছুট্টে বাড়ির পিছনের ফলসাগাছে হাজির। মজার কথা গাছটি দেখতে যেমন অতিকায় ফলটি ততধিক ছোটো। কিন্তু টক মিস্টি স্বাদে অন্য ফলকে হার মানায়। আমাদের গেছো পিশি ততখনে একটা মগডালে চরে বসে আছেন আর আমরা দুই ভাই ততধিক খ্খিপ্রতায় অন্য ডালগুলো থেকে ফলসা পকেটে পুরছি। এদিকে মা অামাদের দেখতে না পেয়ে চ্যাচ্যামেঁচি করে হুলুস্থুলু কান্ড বাধিয়ে ফলসাতলায় হাজির। আমাদের মগডালে দেখলে কি অবস্থা হবে সেই চিন্তা করে পিসির নির্দেশে আমরা পাতার আড়ালে এক্কেবারে স্থানুবৎ। কাকারা মাকে বলল পাশের বাড়িতে খেলতে গেছে নিশ্চয়। মা আর কি করেন ঘরেই ফিরে গেলেন। বিকেলে বাড়ি ফিরতেই প্রশ্ন কোথায় যে থাকিস সব, দাঁড়া আজকে রাতে বাবাকে সব বলে দেব। সারা দুপুর খালি টো টো। বাবাকে আমরা খুব ভয় পেতাম কখন যে বাইরে বের করে খিল দিয়ে দেবে তখন সারারাত বাইরে মশা সাপ এদের সাথে কাটাতে হবে। তখন আমি পকেট থেকে রসালো মিষ্টি ফলসা বার করে মার সাথে বন্ধুত্ত করতাম। মার মন কি অত সহজে মানতে চায়। হ্যাঁ রে তোরা গাছের মগ্ডালে চড়লি ঠিক দুপুর বেলা যদি ভুতে মারত ঠেলা তখন বুঝতিস্। আমরা সমস্সরে বলতাম “ভুত আমার পুত, পেত্নি আমার ঝি..”।

Image

আমার বাবার গল্প- ধর টিকি মার বেল

আমাদের বাড়ির অধিষ্ঠাত্রি দেবতা শ্রী শ্রী নন্দনন্দন জিউর। ঠাকুরঘরের দুই দিকে দুটো বিশাল বড় বড় মহিরুহ ছাতার মতন ঘিরে রেখেছে যার একটি বেলগাছ আর একটি সোনা রঙের চাঁপা গাছ। সেই বেলগাছ নিয়ে আমার আজকের গল্প।কিছুটা আমার আর অনেকটাই বাবার অবদান্।

ছেলেবেলায় যখন বিছানায় শুয়ে শুয়ে বেল পড়ার শব্দ পেতাম, খুব ইচ্ছা করত বেল কুড়িয়ে আনতে। কিন্তু বাবা অমাদের ব্রহ্মদত্তির ভয় দেখিয়ে সে আশায় জল ঢেলে দিয়েছিলেন। আর মা বলতেন ঠাকুর না জাগা অব্দি ওখানে যেতে নেই। আমরা অপেখখা করে থাকতাম কখন পুরোহিত আসবেন ও স্বর্নচাঁপা ফুল তুলতে তুলতে ঠাকুরকে ঘুম ভাঙাবেন “জাগহো বৃকভানু নন্দিনী ওঠো যুবরাজে”অথবা “শচীর আঙিনায় গোরাচাঁদ নাচি যায়”। আহা কি মধুর সেই কন্ঠস্বর যার সম্মোহনি শক্তি আমাদের সকাল সকাল ঠাকুরঘরের দিকে টেনে নিয়ে যেত। ঘন্টা বাজানো স্তব পাঠ করে প্রসাদের বাতাসা খেয়ে তবে বাড়িতে আসা। মোটামুটি এইভাবেই সকাল সুরু হত আমাদের্।

এবার বাবার ব্রহ্মদত্তির গল্পে আসা যাক যেটা বড় হয়ে শুনেছি। আমার দাদুর সকালের প্রাতরাশ হল একটা আস্ত পাকা বেল আর যেটা উনি ঠাকুরঘরের পাশের বেলগাছ থেকে কাকডাকা ভোরে কুড়িয়ে পেতেন। একবার বাবা কাকার নজরে এল দাদু কথায় কথায় রাগ প্রকাশ করছেন। দিদিমার কাছ থেকে জানা গেল রাগের পেছনে আছে কোষ্ঠকাঠিন্য বৃদ্ধি আর তার মুলে আছে পাকা বেল্। কয়েকদিন ধরে নাকি বেল পড়ার আওয়াজ পাচ্ছেন কিন্তু বেলের দেখা নেই। বেলের অন্তর্ধান রহস্যের কিনারা করতে বাবা আর এক কাকা টরচ হাতে অন্ধকারে বেলতলায়। প্রথমদিন আড়ালে থেকে এক চোরের দেখা পাওয়া গেল। কিন্তু উপযুক্ত শাস্তি দেবার প্লান করে পরের দিন একজন গাছে চড়ে রইলেন আর একজন একটু দুরে রইলেন্। চোর যেই না বেলগাছের নিচে এসেছে ওমনি বাবা গাছ থেকে একটা বেল ফেলেছে। চোর খুব খুশি; না চাইতেই জল মানে বেল অার কি। কিন্তু এবার বাবার নিশানা একেবারে ঠিক সোজা বেল পড়লো চোরের মাথায়। আর চোর বাবাজি এক্কেবারে বেহুস্। এবারে বাবারা কাছে এসে দেখে ওমা চোরের টিকিও আছে। দুষটুবুদ্ধি চাপল মাথায়- টিকির সাথে একটা আস্ত বেল বেধে দিয়ে গাছের আড়ালে অপেখ্খা করতে লাগল। হুঁশ আসার পর যেই না পালাতে যাবে বেলটা মাথায় অাঘাত করে সজোরে আর তখন গাছের আড়াল থেকে বাবা বলে উঠল “ধর টিকি মার বেল”। চোর তখন ভয়ে চিৎকার করে উঠল ওরে বাবারে ব্রহ্মদত্তি, আমায় বাঁচা আর আসছি না এখানে। এমন কত মনুষ্যকৃত মজার মজার ভুতের গল্পই না আছে কচি কাঁচাকে কন্ট্রোলে রাখার জন্যে। আর তার জন্যে বাবা মাকে কল্পনাশক্তিকে